শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০১৪

সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার হওয়ার পথে মেসি !!!


এবারের বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত করেছেন চার গোল। চার গোল করা বড় কথা নয়, কিন্তু গোলগুলোর ধরন কিন্তু তাঁকে নিয়ে যায় অন্য উচ্চতাতেই। চারটির মধ্যে তিনটি গোলই মেসি করেছেন ডি-বক্সের বাইরে থেকে। বসনিয়ার বিপক্ষে চারজনকে কাটিয়ে জয়সূচক গোল, ইরানের বিপক্ষে সামনে দাঁড়ানো ইরানের নয়জন রক্ষণসেনাকে তোয়াক্কা না করে বক্সের বাইরে থেকে গোল, আর নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ফ্রি কিক থেকে পাওয়া গোলকে মহাকাব্যিক বললেও ভুল হবে না। এ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার করা ছয় গোলের চারটিই এসেছে মেসির জাদুকরি পা থেকে। সর্বকালের সেরাদের জন্ম তো হয় এভাবেই।
বয়স মাত্র ২৭। এই বয়সেই ফুটবলে সম্ভব প্রায় সব অর্জনেই নিজের নাম লিখে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর যেখানেই হাত দিয়েছেন, সোনা ফলিয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপটাই যে এখনো হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাঁর। একমাত্র অপূর্ণতা ঘোচাতে এবার বেশ আদা-জল খেয়েই লেগেছেন তিনি। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন একাই। ফুটবল-বোদ্ধাদের তাই ধারণা, সর্বকালের সেরা হওয়ার দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই আছেন এই তারকা।

মেসি সম্পর্কে নাইজেরীয় কোচের মন্তব্য কিন্তু এখানে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই আর্জেন্টিনা দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় আছে। কিন্তু তারা আর দশজনের মতো সাধারণ মানুষ। লিওনেল মেসি তো অন্যগ্রহের ফুটবলার।’

নেইমারের অন্তর্বাস প্রদর্শনের তদন্তে নেমেছে ফিফা !!!


ফিফার নিয়মানুযায়ী খেলোয়াড়দের অর্ন্তবাস প্রদর্শনের কোনো নিয়ম বা বৈধতা নেই। সোমবারের ক্যামেরুনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে জার্সি খুলে ফেলে ব্রাজিল তারকা নেইমার। আর সেময় তার অর্ন্তবাসের কিছু অংশ দেখা যায়।

ফিফার অনুমতি ছাড়া কোনো কিছু দেখানোর এখতিয়ার নেই খেলোয়াড়দের। সুয়ারেজের কামড়ের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আন্ডারওয়ার (অন্তর্বাস) প্রদর্শন করায় নেইমারে বিষয়ে তদন্তে নেমেছে ফিফা।

ফিফা বিশ্বকাপ-২০১৪ নিয়মানুযায়ী যে কোনো আন্ডারগার্মেন্টন্সের জন্য পৃষ্ঠপোষক দরকার হয়। অননুমোদিত আন্ডারওয়ার যদি খেলোয়াড়দের জন্য ভাগ্য বয়ে আনে, তবুও তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচানা করে এটা পরা যাবে না।

ক্যামেরুনের বিপক্ষে জয়ের পর নেইমার তার জার্সি খুলে ফেলা। এরপর তার আন্ডারওয়ার কিছুটা প্রদর্শিত হয়।

টুইটারের পাওয়া নেইমারের একটি ছবিতে দেখা যায়, খেলার হাফটাইমে তার আন্ডারপ্যান্ট পরিবর্তন করেছে, যা দেখতে অনেকটা ব্রাজিলের পতাকার মতো।

কিছু কিছু ভক্ত টুইটারের মাধ্যমে এটা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ফিফাই এ বিষয়টা তদন্তের আওতায় আনবে, সম্ভব হলে নেইমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে ইয়াহু নিউজ জানিয়েছে।

বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

মানুষ মানুষের জন্য !!

শুধুমাত্র ঢাকায় অবস্থিত বন্ধুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!!

একজন মূমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন, রক্তের গ্রুপ এ পজেটিভ। ৬-৭ ব্যাগ রক্ত লাগবে।
রোগী ধানমন্ডি শংকর ইবনে সিনা হসপিটালে ভর্তি।

কেউ ইচ্ছুক থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৪৫৯৫৫৬৪৯ (হিরন)

দয়া করে সবাই পোষ্টটি শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হতে পারে এক ব্যাগ রক্তের যোগান।

সোমবার, ২৩ জুন, ২০১৪

শনিবার, ২১ জুন, ২০১৪

Argentina win another match!!!

Lionel Messi, he has just scored a majestic injury-time winner to shatter Iran's fairytale. This one is certainly his goal. He received a pass from Zabaleta 25 yards out, to the right of centre, and teased the weary Ghoochannejhad before shifting the ball to the left and blasting a glorious curling shot into the far corner.

বাংলার বাঘ!!


 ১৫ জুনের ঘটনায় স্ত্রী শিশিরকে উত্ত্যক্তকারীদের পিটিয়ে বর্তমান আলোচনায় রয়েছেন সাকিব আল হাসান৷ নিজের দেশে ভারতের বিপক্ষে খেলছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল৷ তবে খেলা ছাপিয়ে সবাই সেদিন সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন৷ কারণটা হচ্ছে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলা চলাকালে গ্যালারিতে থাকা সাকিবের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরকে উত্ত্যক্ত করেছিল কয়েক বখাটে৷ আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব নিজেই পিটিয়েছেন বখাটেদের৷

এই নিয়ে মিডিয়া জগতে শুরু হয়েছে তুলকালাম কান্ড। কেউ বা ইতিবাচক ভাবে দেখছেন আবার কেউ নেতিবাচক!!

কিন্তু আমার মতে সাকিব তার সঠিক কাজটিই করেছেন। বাংলার বাঘ তার সত্যিকারের রুপ দেখিয়েছে। নিজের বউকে উত্যক্ত করবে আর সাকিব তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কখনো হতে পারেনা ।

আপনারা কি বলেন???

শুক্রবার, ২০ জুন, ২০১৪

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। ১৯২৩ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা’র সদস্য হয়। এর পূর্বেই ১৯১৬ সাল থেকে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবলের অন্যতম সদস্য দেশ। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম দলটি হচ্ছে ব্রাজিল। এ পর্যন্ত দলটি পাঁচবার (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২) বিশ্বকাপ জয় করেছে যা একটি রেকর্ড। ফুটবলের ব্যাপারে একটি সাধারণ উক্তি হচ্ছে: ‘The English invented it, the Brazilians perfected it.’, অর্থাৎ, ‘ইংল্যান্ডের আবিষ্কার, আর ব্রাজিলের পরিপূর্ণতা দান’। এছাড়া এলো’র রেটিং অনুসারে ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর ফুটবল জাতি। এখন পর্যন্ত ব্রাজিল-ই একমাত্র দল যারা বিশ্বকাপের সবগুলো আসরেই অংশগ্রহণ করেছে।

সোমবার, ১৬ জুন, ২০১৪

শনিবার, ১৪ জুন, ২০১৪

শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০১৪

উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল

ব্রাজিলের জন্য ম্যাচের শুরুটা বোধহয় এর চেয়ে ভীতিকর হতে পারত না। বিশ্বকাপ ইতিহাসেই যাদের নিজেদের জালে বল পাঠানোর কোন রেকর্ড ছিল না, এবার আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়েই শুরু তাদের বিশ্বকাপ।
যার কাছে গোল করে বিশ্বকাপ শুরুর প্রত্যাশা ছিল, সেই নেইমার ক্রোয়েশিয়ার ‘নাম্বার টেন’ লুকা মডরিচকে ফাউল করে দেখলেন ঘরের মাঠের বিশ্বকাপের প্রথম হলুদ কার্ডও।
এমন শুরুর জড়তায় স্তব্ধ করিন্থিয়ান্স স্টেডিয়ামে অবশ্য প্রাণ ফিরিয়েছে সেই নেইমার ম্যাজিকই।
কম যাননি ব্রাজিলের আক্রমণভাগের ত্রিফলার অন্যতম অস্কারও।

কিন্তু জাপানি রেফারির দেওয়া পেনাল্টি বিতর্কের সৃষ্টি করে জনমনে!!!

ফিফা কি আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিশ্বকাপ এবার ব্রাজিল এর ঘরেই যাবে?? যদি তা না হয় তবে এই সিদ্ধান্তের একটা সুরাহা না করলে তা পুরা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪ আসরকে কলঙ্কিত করে রাখবে ফিফাকে!!!

বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২০১৪

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ২০১৪ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধন
এ্যারেনা ডি সাওপাওলোয় ছয়শজনের বেশি নৃত্যশিল্পী অনুষ্ঠানের শুরুতেই, তাদের নাচের মাধ্যমে ব্রাজিলের প্রকৃতি, মানুষ আর ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসা তুলে ধরে।
তাদের পরণে ছিল গাছ, ফুল আর ফুটবলের মতো পোশাক। এরপর ক্লডিয়া লেট্টি, জেনিফার লোপেজ আর র‍্যাপার পিটবুলের গাওয়া, এবারের বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সংগীত উই আর ওয়ান বা আমরা সবাই এক গান দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।
ব্রাজিল সময় বিকেলে শুরু হওয়া প্রায় দেড়ঘন্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠান সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন মাঠের ৬৫ হাজার আর পৃথিবীর কোটি কোটি দর্শক।

মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০১৪

জেনে নিই বিশ্বকাপে কোন দল কোন গ্রুপে খেলবে!!!

গ্রুপ ‘এ’ : ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, মেক্সিকো ও ক্যামেরুন।
গ্রুপ ‘বি’ : স্পেন, নেদারল্যান্ডস, চিলি ও অস্ট্রেলিয়া।
গ্রুপ ‘সি’ : কলম্বিয়া, গ্রিস, আইভরি কোস্ট ও জাপান।
গ্রুপ ‘ডি’ : উরুগুয়ে, কোস্টারিকা, ইংল্যান্ড ও ইতালি।
গ্রুপ ‘ই’ : সুইজারল্যান্ড, ইকুয়েডর, ফ্রান্স ও হন্ডুরাস।
গ্রুপ ‘এফ’ : আর্জেন্টিনা, বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ইরান ও নাইজেরিয়া।
গ্রুপ ‘জি’ : জার্মানি, পর্তুগাল, ঘানা ও যুক্তরাষ্ট্র।
গ্রুপ ‘এইচ’ : বেলজিয়াম, আলজেরিয়া, রাশিয়া ও দণি কোরিয়া।

সোমবার, ৯ জুন, ২০১৪

এদুয়ার্দো ডি সিলভা





ডিয়েগো কস্তাকে নিয়ে ব্রাজিল-স্পেনের রশি টানাটানির খবর কারোরই অজানা নেই। জন্মসূত্রে ব্রাজিলিয়ান হলেও কস্তা বিশ্বকাপ খেলতে আসবেন স্পেনের হয়েই। বিশ্বকাপে তাঁকে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে দেখা যাবে কি না, তা অবশ্য এখনো নিশ্চিত না। কিন্তু উদ্বোধনী ম্যাচেই আরেক ‘বিভীষণের’ মুখোমুখি হতে হবে ব্রাজিলকে।

তাঁর নাম এদুয়ার্দো ডি সিলভা।  জন্ম ব্রাজিলে হলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে সিলভা মাঠে নামবেন নিজ দেশের প্রতিপক্ষ হয়ে। শুধু মাঠে নামাই না, ৩১ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার হয়ে উঠতে পারেন ব্রাজিলের প্রধান হুমকিও।

ক্রোয়েশিয়ার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সিলভার নামটা আছে দ্বিতীয় স্থানে। ২০০৪ সালে অভিষেকের পর ৬৯ ম্যাচ খেলে ২৯টি গোল করেছেন সিলভা। সামনে আছেন শুধু ডেভর সুকার। যাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলেছিল ক্রোয়েশিয়া।

১৯৮৩ সালে রিও ডি জেনিরোর এক বস্তিতে জন্ম হয়েছিল সিলভার। খুব ছোটবেলা থেকেই ছিলেন ফুটবলপাগল। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তিনি নজর কাড়েন ক্রোয়েশিয়ার ক্লাব ডায়নামো জাগরেবের। ১৯৯৯ সালে পাড়ি জমান ক্রোয়েশিয়ায়। দুই বছর পরই খেলতে শুরু করেন ডায়নামোর মূল দলের হয়ে। ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ১০৮টি ম্যাচ খেলে করেছেন ৭৩ গোল। খেলেছেন ইংল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব আর্সেনালের হয়েও। ২০১০ সাল থেকে খেলছেন ইউক্রেনের ক্লাব শাখতার দোনেেস্কর হয়ে।

ক্লাব ফুটবলে সুনাম কুড়ালেও বিশ্বকাপের মঞ্চে কখনো উঠতে পারেননি সিলভা। ২০০৬ সালে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু বয়স কম বলে তাঁর ওপর আস্থা রাখতে পারেননি ক্রোয়েশিয়ার তত্কালীন কোচ। ২০১০ সালে তো বাছাইপর্বের বাধাই পেরোতে পারেনি ক্রোটরা। অবশেষে মাতৃভূমি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে সিলভার।

ঘরের ছেলের বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে সাজসাজ রব পড়ে গেছে ব্রাজিলের ভিলা কেনেডি অঞ্চলে। ছোটবেলাটা এখানেই কাটিয়েছেন সিলভা। তাঁর সৌজন্যে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে অনেককেই হয়তো দেখা যাবে ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে গলা ফাটাতে। কিন্তু সেটা শুধু ওই একটা ম্যাচের জন্যই। সিলভার মা জোয়েলমা ডি সিলভা বলেছেন, ‘এখানে, পরিবারের সবাই এদুয়ার্দো ডি সিলভাকে সমর্থন করবে। কিন্তু প্রথম ম্যাচের পর সবাই আবার ব্রাজিলের সমর্থক হয়ে যাবে।’

কে জানে, এদুয়ার্দো নিজেও হয়তো উদ্বোধনী ম্যাচের পর মনে মনে ব্রাজিলের জয়ই কামনা করবেন। তাঁর ভাই ব্রুনোর মন্তব্য শুনে তো তেমনটাই মনে হচ্ছে, ‘সিলভা কাজ করছে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে। কিন্তু মনেপ্রাণে সে তো একজন ব্রাজিলিয়ানই।’

রবিবার, ৮ জুন, ২০১৪

Neymar


নেইমার দা সিল্ভা স্যান্তোস জুনিয়র
তিনি সাধারণত নেইমার নামে পরিচিত। তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ তারিখে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একজন ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার, যিনি স্পেনীয় ক্লাব বার্সেলোনা এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। তিনি আধুনিক বিশ্বের উদীয়মান ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম।

২০১০ সালে ৩য় হওয়ার পর নেইমার ১৯ বছর বয়সে ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে নেইমার ফিফা ব্যালন ডি'অরের জন্য মনোনয়ন পান, তবে ১০ম স্থানে আসেন। তিনি ফিফা পুস্কাস পুরষ্কারও অর্জন করেন। তিনি সর্বাধিক পরিচিত তাঁর ত্বরণ, গতি, বল কাটানো, সম্পূর্ণতা এবং উভয় পায়ের ক্ষমতার জন্য। তাঁর খেলার ধরন তাকে এনে দিয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা, সাথে প্রচুর ভক্ত, মিডিয়া এবং সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার পেলের সঙ্গে তুলনা। পেলে নেইমার সম্পর্কে বলেন, "একজন অসাধারন খেলোয়ার।" অন্যদিকে রোনালদিনহো বলেন, "নেইমার হবে বিশ্বসেরা।"

নেইমার সান্তসে (ব্রাজিলিয়ান ক্লাব) যোগ দেন ২০০৩-এ। বিভিন্ন মর্যাদাক্রম অতিক্রম করে তিনি মূলদলে নিজের যায়গা করে নেন। তিনি সান্তসের হয়ে প্রথম আবির্ভাব করেন ২০০৯ সালে। ২০০৯ সালে তিনি কম্পেনাতো পুলিস্তার শ্রেষ্ঠ যুবা খেলোয়ার নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে সান্তসের ২০১০ কম্পেনাতো পুলিস্তা জয়, নেইমারের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার নির্বাচিত হওয়া এবং ২০১০ কোপা দো ব্রাজিলে ১১ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা পুরষ্কার পান। তিনি ২০১০ সাল শেষ করেন ৬০ খেলায় ৪২ গোল করার মাধ্যমে।

নেইমার ব্রাজিল অনূর্ধ্ব ১৭, অনূর্ধ্ব ২০ এবং ব্রাজিল মূল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪

বিশ্বকাপে নেইমাররা বাংলাদেশে তৈরি জার্সি পরবেন!

 

প্রতিবারের মতো এবারো বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে বিশ্বকাপকে ঘিরে উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে৷ ব্লগ আর ফেসবুকেও সেই ছোঁয়া লেগেছে৷  

১২ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে বিশ্বকাপ৷ এবার কার হাতে ট্রফি উঠবে তাই নিয়ে চলছে যুক্তি, পালটা যুক্তির খেলা৷

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জার্সিতে নাকি এবার ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা থাকবে৷ এই তথ্যের ব্যাপারে কোনো সূত্রের উল্লেখ না করে বলা হয় ব্রাজিল বিশ্বকাপে স্বাগতিক দলটির জার্সি তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশ৷ এরপর রানা প্লাজা ও তাজরিন গার্মেন্টসের ট্রাজেডিতে সহস্রাধিক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে জার্সির নিচে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লিখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির ফুটবল সংস্থা ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ) ৷ এরকম একটি সংবাদ গত বছরের অক্টোবরে প্রকাশ করেছিল ইংরেজি দৈনিক সান এ৷ সেখানে বিজিএমইএ’র সূত্র উল্লেখ করে জানানো হয়, জার্সির পাশাপাশি সমর্থকদের জন্য টি-শার্ট, ট্রাউজার, ক্যাপ ইত্যাদিরও অর্ডার এসেছে ব্রাজিল থেকে৷

ফিফা ব়্যাংকিং-এ ব্রাজিল বাইশ!


ফুটবলের স্বর্গরাজ্য ব্রাজিল, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, তারা এখন ফিফার ব়্যংকিং-এ বাইশতম স্থানে৷ আরো খোলসা করে বলতে গেলে, ঘানা আর মালির ঠিক মাঝামাঝি৷ হায় রে ফুটবল, হায় রে ব্রাজিল৷ দোষটা ফিফার ব়্যাংকিং-এর নয়, কেননা তার নিয়মকানুন বাঁধা৷ ব্রাজিলের জাতীয় দল তাদের বিগত ছ'টা খেলার মধ্যে চারটেতে ড্র করেছে৷ তার ওপর আবার কোনো বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাও সম্প্রতি সংঘটিত হয়নি৷ খেলা ছাড়া এবং খেলার ফলাফল ছাড়া ফিফার বাছাইয়ের তালিকা তৈরি করা সম্ভব নয়৷ কাজেই যে ব্রাজিল সাধারণত ফুটবলের মাঠেই রেকর্ড করে থাকে, তারা এবার ফিফার ব়্যাংকিং-এ তাদের সর্বনিম্ন স্থানে নেমে রেকর্ড করে ফেলল৷

কারো সর্বনাশ, কারো পৌষমাস৷ আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই ভাঁটার সুযোগ নিয়ে মালি তাদের সর্বোচচ – তেইশতম স্থানে উঠে পড়েছে, যেমন উঠেছে বেলজিয়াম (১২), বসনিয়া (১৫) এবং আলবানিয়া (৩৮) তাদের সর্বোচ্চ স্থানে৷ তালিকার শীর্ষে আগের মতোই স্পেন, জার্মানি, আর্জেন্টিনা ও ক্রোয়েশিয়া৷ তার পরেই আসছে নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, কলম্বিয়া, ইটালি, ইংল্যান্ড এবং ইকুয়েডর৷
ব্রাজিলের মতো গোটা এশিয়া মহাদেশেরও এবার হাঁড়ির হাল৷ এশিয়া থেকে সর্বোচ্চ ব়্যাংকিং হলো জাপানের, তারা ৩২তম স্থানে৷ নয়তো প্রথম ৫০-এর মধ্যে এশিয়া থেকে আর শুধু দক্ষিণ কোরিয়া আর অস্ট্রেলিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে৷ ও হ্যাঁ, ওসিয়ানিয়া মহাদেশের চ্যাম্পিয়ন তাহিতি, যারা কনফেড কাপে ব্রাজিলে খেলতে যাচ্ছে, তারাও গোটা তিনেক ঘর হারিয়ে ১৩৮-এ নেমে দাঁড়িয়েছে৷
তবে ফুটবল খেলতে নেমে ব্রাজিলের বদলে ফিফা ব়্যাংকিং-কে বেশি গুরুত্ব দিলে আগের মতোই ভুল হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা৷







ফিফা ব়্যাংকিং-এ পর্তুগাল উঠল পাঁচ নম্বরে

গত বৃহস্পতিবার ফিফা তার সর্বাধুনিক ব়্যাংকিং প্রকাশ করে৷ এ পর্তুগাল পাঁচ নম্বরে৷ তার মূল কারণ হলো সুইডেনের বিরুদ্ধে পর্তুগালের দু’টি প্লে-অফে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর মোট চারটি গোল৷ 

৬ ডিসেম্বর বিশ্বকাপের ড্র হবে অক্টোবরের ব়্যাংকিং-এর ভিত্তিতে৷ ফিফা বিশ্বকাপের সিডিং বা বাছাই ঠিক করে রেখেছে অক্টোবরের ব়্যাংকিং-এর ভিত্তিতে, যা-তে প্লে-অফ দলগুলি কোনো অন্যায় সুবিধা না পায়৷ কাজেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বিশ্বকাপের ড্র-র উপর ফিফার নতুন ব়্যাংকিং'এর কোনো প্রভাব পড়বে না৷
তবুও, বিশ্বকাপের বছর যখন সামনে, তখন এই মুহূর্তে কোন দেশ ঠিক কোনখানে, সেটা জানতে ইচ্ছে করে বৈকি৷ স্পেন পূর্বাপর তালিকার শীর্ষে – এবং সেটা সাম্প্রতিক ফ্রেন্ডলিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারা সত্ত্বেও৷ দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে জার্মানি, আর্জেন্টিনা এবং কলম্বিয়া৷ ষষ্ঠ স্থানে উরুগুয়ে৷ সপ্তম ইটালি৷ অষ্টম স্থানে সুইজারল্যান্ড, যারা এক মাস আগেও অষ্টম স্থানে ছিল৷ নবম স্থানে নেদারল্যান্ডস৷ দশম স্থানে ব্রাজিল৷

বেলজিয়াম ছয় ঘর পিছিয়ে এগারো নম্বরে – যদিও এক মাস আগের স্ট্যাটাসের কারণে তারা, সুইজারল্যান্ডের মতোই, বিশ্বকাপের প্রথম আটজন ‘সিড'-এর মধ্যে পড়েছে৷ নয়া ফিফা ব়্যাংকিং-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৩ থেকে ১৪ নম্বরে নেমেছে৷ মেক্সিকো প্লে-অফে নিউজিল্যান্ডকে নস্যাৎ করার পর আরো চারঘর উঠে বিশ নম্বরে দাঁড়িয়েছে৷
আফ্রিকার দেশগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে আইভরি কোস্ট: তাদের ব়্যাংকিং হলো ১৭৷ এশিয়ান কনফেডারেশনের দলগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে ইরান: তারা চার ঘর উঠে এখন ৪৫-এ৷ সে তুলনায় বহুদিন ধরে এশীয় তালিকার শীর্ষে থাকা জাপান চার ঘর নেমে ৪৮-এ৷ ৫৮ নম্বর অস্ট্রেলিয়া হবে আগামী সপ্তাহে বিশ্বকাপের ড্র-তে ফিফা ব়্যাংকিং-এ নিম্নতম দেশ৷



এবার বিশ্বকাপে এই ব্রাজুকা বলটিই থাকবে সবার পায়ে

ব্রাজিল বিশ্বকাপের বল ব্রাজুকা বৃত্তান্ত

বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে বাকি মাত্র দশ দিন৷ প্রতিবারের মতো এবারো বিশ্বকাপের নতুন বল নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক, গবেষণা৷ খেলোয়াড়দের আশা, ‘ব্রাজুকা’ এবার ভাল খেলাই দেখাবে৷ তবে গতবারের অভিজ্ঞতার কারণে সংশয়ও পুরোপুরি কাটছে না৷


২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপের বল ‘ফেভারনোভা' নাকি ছিল অনেক বেশি হালকা আর ‘বাউন্সি'৷ এর চার বছর পর জার্মানি বিশ্বকাপের বল ‘টিমগাইস্ট'- এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, সেটি নাকি অতিরিক্ত ‘পিছল'৷ আর ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের বল ‘জাবুলানি' তো অনেক খেলোয়াড়কে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছিল৷
ব্যাপক সমালোচনার পর এবার অনেকের মতামত নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই ব্রাজুকা তৈরি করেছে বিশ্বখ্যাত ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আডিডাস৷ জার্মান এই কোম্পানির দাবি, ব্রাজুকাই হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরীক্ষিত বল৷

নতুন বলের সঙ্গে খেলোয়াড়দের পরিচিত করতে গত ডিসেম্বরে ‘ব্রাজুকা' উন্মোচনের পরপরই বিশ্বকাপে থাকা সবকটি দেশে বলটি সরবরাহ করে আডিডাস৷ আর গত বৃহস্পতিবার বিশ্বের সামনে আনা হয় ফাইনাল ম্যাচের বলটি, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ব্রাজুকা ফাইনাল রিও'৷
গত দুই বছরে জিনেদিন জিদান, লিওনেল মেসি, ইকার ক্যাসিয়াস, বাস্তিয়ান শোয়াইনস্টাইগারের মতো ছয়শ খেলোয়াড় ব্রাজুকা পরখ করে দেখেছেন৷ বায়ার্ন মিউনিখ, এসি মিলানের মতো দলের বিশেষজ্ঞরা এই বল নিয়ে মতামত দিয়েছেন৷ ব্রাজুকার মন বুঝতে নাম আর চেহারা বদলে খেলানো হয়েছে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ আর একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচেও৷

এবারের বিশ্বকাপ বলের জন্য ব্রাজুকা নামটি ঘোষণা করা হয় ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে৷ তার আগে নাম নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটিরও আয়োজন করে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ আয়োজন কমিটি ও আডিডাস৷

ব্রাজুকা হলো ব্রাজিলের একটি চলতি শব্দ, যার মানে হলো ‘ব্রাজিলীয়'৷ এ বলের নকশা আর রঙে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দক্ষিণ অ্যামেরিকার বর্ণময় জীবন ও ফুটবল নিয়ে তাদের উত্তেজনার আবহ৷

মুশফিকুর রহিম





মোহাম্মদ মুশফিকুর রহিম (জন্ম: ১লা সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেপ্টেম্বর ২০১১ থেকে তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন। মূলত তিনি একজন উইকেটকীপার এবং লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান। ছোটখাটো গডনের এই সদা হাস্যোজ্জ্বল খেলোয়াড় টি স্ট্যাম্পের পেছনে বকবক করার জন্য বিখ্যাত।
২০০৫ এর ইংল্যান্ড ট্যুরে মুশফিক প্রথমবারের মত জাতীয় দলে সুযোগ পান। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটাই ছিলো বাংলাদেশের প্রথম ট্যুর। শুরুর দিকে যদিও তাকে কেবল উইকেটকীপার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল,গা গরমের ম্যাচগুলোতে তার পারফরম্যান্স নির্বাচকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তিনি স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে জায়গা করে নেন।

২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ-১৯ বিশ্বকাপে মুশফিক বাংলাদেশ দলকে নেত্ত্ব দেন। অন্যান্যদের মধ্যে এই দলে ছিলেন ভবিষ্যতের আনর্জাতিক তারকা সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। মুশফিকের নেতৃত্বে দলটি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে সমর্থ হয়।
২০০৬ এর জিম্বাবুয়ে ট্যুরে মুশফিক আবার জাতীয় দলে সুযোগ পান। এই ট্যুরে তার সাথে সাথে ফরহাদ রেজা ও সাকিব আলা হাসানেরও ওয়ানডে অভিষেক হয়। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মুশফিক তার প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং পরের বছর ওয়েস্ট-ইন্ডিজে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের জন্য খালেদ মাসুদের স্থলাভিষিক্ত হন।
জুলাই, ২০০৭ এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিক আবার দলে ডাক পান। এক ইনিংস ও ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশ পরাজিত হয় । মুশফিক, মোহাম্মদ আশরাফুলকে সঙ্গী করে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে রেকর্ড ১৯১ রান করেন। ৮০ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন মুশফিক।
২০০৯ এর জিম্বাবুয়ে ট্যুরে মুশফিক বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হন। তৎকালীন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ইনজুরড হওয়ায় সাকিব তার স্থলাভিষিক্ত হন এবং পূর্বতন সহ-অধিনায়ক সাকিবের দায়িত্ব পান মুশফিক। ২০১০ এর ২১ জানুয়ারী ভারতের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের প্রথম টেস্টের পঞ্চম দিনে মুশফিক তার ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন। মাত্র ১১২ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি বাংলাদেশের দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক হন। ১১৩ রানের ব্যবধানে ভারত ম্যাচটি জিতে নেয় ।
ঐ বছরের ৮ নভেম্বর ওয়ানডেতে মুশফিক তার সেরা ইনিংসটি খেলেন। জাতীয় ক্রিকেট লীগের একটি ম্যাচে তিনি রাজশাহীর হয়ে ১১৪ বলে করেন ১২০ রান। ডিসেম্বর, ২০১০ এ মুশফিকের জায়গায় তামিম ইকবাল সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পান।
২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন শুরু করেন।